সুইটির ফ্যামেলির লোকেরা ঢাকায় আসছে মাস দু এক হলো। সুইটিরা দুই বোন। তাদের কোনো ভাই নাই। সুইটির বাবা একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করেন। সুইটি এবং সুইটির বোন জুলির পড়ালেখার সুবিধার জন্য বাবা আব্দুর রহমান তার সপরিবার নিয়ে ঢাকায় একটি বাসা ভাড়া নিলেন। বাসা থেকে প্রায় আধা কিলো দূর সুইটির কলেজ। নামে যেমন সুইট দেখতেও তেমনি সুইট মেয়েটা। বয়সের তুলনায় শারিরিক গঠন বেশ লম্বা। গোলগাল মিষ্টি চেহারা। বাড়ন্ত শরীরে উঠতি যৌবন। নিয়মিত কলেজে যাওয়া আসা করে মেয়েটা। সে এবার ইন্টার ফাস্ট ইয়ারে পড়ে। বোন জুলি এবার সেভেন এ।
সুইটিদের বাসায় যাতায়াত করতে হয় একটা গলি দিয়ে। কলেজে আসা যাওয়ার সময় মেয়েটা কিছু মানুষরূপী পশুদের কাছ থেকে নিয়মিত ইভটিজিং এর শিকার হয়। বাসায় এসে ফ্যামেলির কারো কাছে এই বিষয়ে কিছু বলেনা। তবে ঠিকই মনে খারাপ করে বসে থাকে। মা মন খারাপের কারণ জানতে চাইলে বলে কিছু হয়নি। একটা সময় ইচ্ছা করে পড়ালেখা বাদ দেওয়ার। ওই সকল ইভটিজার-দের ভয়ে মন চায়না বাসা থেকে আর বাহির হতে। তবুও তাকে কলেজে যেতে হবে। বাবার ইচ্ছা তার মেয়েটা এ দেশের নামকরা ডাক্তার হবে। যেকোন মূল্যে বাবার স্বপ্ন পূরণ করতে হবে। আর স্বপ্ন পূরণ করতে হলে নিয়মিত কলেজে যেতে হবে তাকে। একদিন সুইটি তার বাবাকে সব খুলে বললো। সুইটির বাবা আব্দুর রহমান সকল টিজারদের অবিভাবকদের কাছে নালিশ করলেন। তারপর থেকে ইভটিজাররা প্রায় এক সপ্তাহ সুইটিকে টিজ করেনি। সুইটির বাবা জানতে চাইলেন ইভটিজাররা টিজ করে কি না!
সুইটি মুচকি হেঁসে বললো না। এইভাবে প্রায় এক সপ্তাহ সুইটি শান্তিতে চলছিলো। কিন্তু কয়েকদিন যাবার পর টিজাররা তাদের আগের রূপে ফিরে আসলো। কথায় আছে না, সাপ মরার আগ পর্যন্ত সোজা হয় না। এই টিজারদের বেলায় তাই হয়েছে। আর এসব ব্যাপারে সুইটি তার বাবাকে জানাবে না। বাবাকে বললে বাবা যদি ইভটিজারদের কিছু বলে আর ইভটিজাররা তার বাবাকে কিছু করে বসে তখন! সুইটির আপন বলতে তো এই বাবা,মা আর বোনটা। এসব টিজ এর শিকার হতে হতে এখন আর সুইটির খারাপ লাগেনা। সুইটি অভ্যস্ত হয়ে গেছে। সুইটির কাছে ইভটিজিং এখন ডাল ভাত।
এখন রোজই কলেজে যাওয়া আসা করে আর ইভটিজার-দের কাছ থেকে নিয়মিত ইভটিজিং এর শিকার হয়।
সেদিন কলেজে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছিলো। সুইটি বাসায় ফিরতে একটু দেরী হয়ে যায়। সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসছে। চারিদিকে অন্ধকার নেমে আসছে। বুকে প্রচন্ড ভয় নিয়ে সুইটি গলি দিয়ে একা একা হেঁটে যাচ্ছে। হঠাৎ পিছন থেকে কেউ একজন তার চোখে কাপড় দিয়ে বেঁধে রাখলো। সুইটি মুখ দিয়ে যে চিল্লাবে সেই সুযোগও নাই। কারণ সুইটির মুখও কাপড় দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে। কিছু লোক ধরাধরি করে সুইটিকে একটা টেক্সিতে তুললো। টেক্সিতে তোলার পর সুইটির হাতের বাঁধন, মুখের বাঁধন খুলে দেওয়া হলো। সুইটি চোখ খুলে দেখে ওরা ৬জন লোক। তার মধ্যে ৫জন সুইটিকে কলেজে যাওয়ার সময় বিরক্ত করতো। আরেকজন হলো পাশের বাসার শিমুল ভাই। যার প্রশংসা সুইটির মা সুইটিকে নিয়মিত করতেন।
সুইটিঃ (কান্না মাখা কন্ঠে) শিমুল ভাই আপনি এখানে?
শিমুলঃ তোমাকে আদর করব বলেই তো আজ আমি এখানে।
সুইটি কান্না করছে। বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার করছে। কিন্তু চলন্ত গাড়ির মধ্যে আওয়াজ কেউ শুনতে পাবে না। টেক্সির জানালার গ্লাস লাগানো। গ্লাস থাকার কারণে ভিতরের আওয়াজ বাহিরে যাচ্ছে না। ট্রেক্সি চলছে তার আপন গতিতে। গাড়ি চলতি অবস্থায় পশুরা সুইটির দেহের কাপড়চোপড় টেনে ছিড়ে ফেলার চেষ্টা করছে। গাড়ির মধ্যে সুইটিকে রেপ করার চেষ্টাও করছে কিন্তু ধর্ষেকদের মধ্যে এক প্রকার হাতাহাতি হয়। কার আগে কে সুইটিকে ধর্ষণ করবে সেই প্রতিযোগিতা তাদের মধ্যে শুরু হয়ে যায়। ধর্ষকদের লিডার বলে, যা হবার জঙ্গলে গিয়ে হবে। সুইটি সবই দেখছে, সবই শুনছে। আঁকাবাকা পথ বেঁয়ে জঙ্গলের এক পুড়া বাড়িতে সুইটিকে নিয়ে যাওয়া হলো।
বাড়ির এক কোনে সুইটি বসে কান্না করছে। ধর্ষকদের লিডার ৬ জনের লটারি দিলো। যার নাম আগে আসবে সে আগে সুইটিকে ধর্ষণ করবে। এইভাবে ধর্ষকের লিডার সিরিয়াল করে দিলো। সুইটি অসহায় হয়ে সবার পা ধরে তার সতীত্বের ভিক্ষা চাইলো। কিন্তু না কোন কাজ হলো না। ওদের মনে একটু দয়া মায়া লাগলো না। ধর্ষকদের কাছে সুইটির ভিক্ষা চাওয়া তুচ্ছ।
ধর্ষকদের মধ্যে একজন বললো, তোর বাপ কেন এসব ব্যাপারে আমার বাবাকে নালিশ করলো। এবার বোঝ মজা। আজ যদি তোর বাপ থাকতো তাহলে এই দৃশ্য দেখার পর তার কেমন লাগতো বলতো?
সুইটি কান্না করছে। কান্না ছাড়া অন্য কোনো ভাষা মেয়েটার কাছে নাই।
একে একে সবাই সবার সামনে ইচ্ছে মতো সুইটিকে ধর্ষণ করলো। সুইটি কান্না করছে। এই কান্নার সাক্ষী এই জঙ্গলের গাছপালা, লতাপাতা, এই পুড়া বাড়িটা। সুইটিকে সবার ধর্ষণ করা শেষ। পশুদের যৌনি চাহিদা মিটে গেছে। এবার তাকে ছেড়ে দেওয়া হোক। সবাই ছেড়ে দিতে চাইলো কিন্তু শিমুল সুইটিকে ছেড়ে দিবে না।

No comments:
Post a Comment