
লকডাউন শিথিল করার পর গতকাল থেকে বাংলাদেশে অফিস-আদালত খুলে দেয়া হলেও স্থানীয়ভাবে আবার লকডাউন জারি করা হতে পারে।
সরকারের এক কর্মকর্তা ঢাকায় সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, সংক্রমণ এবং মৃত্যুর হার অনুযায়ী বাংলাদেশকে লাল, হলুদ এবং সবুজ জোনে ভাগ করা হবে।গত শনিবার বিশেষজ্ঞরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন, সেখানে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
দেশজুড়ে করো'না ভাই'রাস পরিস্থিতি অনেকাংশে বেসামাল হয়ে পড়ায় আগামীকাল রবিবার থেকে আবারও লকডাউন প্রক্রিয়ায় যাচ্ছে সরকার। করো'না সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে এখন নতুন পদ্ধতিতে শতভাগ লকডাউন ঘোষণা করা হবে।
আগামীকাল রবিবার (৭ জুন) থেকে রাজধানী ঢাকায় এই লকডাউন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে দেশের অন্যান্য স্থানেও এলাকাভিত্তিক লকডাউন কার্যকর হবে। ইতোমধ্যে স্বাস্থ্য বিভাগ এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বলে জানা গেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে রাজধানী ঢাকার যেসব এলাকায় আ'ক্রান্তের সংখ্যা ব্যাপক হারে বাড়ছে সেসব এলাকা ফের লকডাউন করা হবে।
এ বিষয়ে সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অধিদফর সূত্র জানিয়েছে, প্রথম দফায় সরকার রাজধানী ঢাকাকে উচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। ঢাকায় সবচেয়ে বেশি আ'ক্রান্ত এলাকাগুলো চিহ্নিত করার কাজ প্রায় শেষ হয়েছে। এখন তারা বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখবেন, সংক্রমণের মাত্রা কোথায় কেমন। তার ভিত্তিতে ঠিক করা হবে দেশের কোন এলাকা কোন জোনে পড়বে।
এখন ওইসব এলাকায় লকডাউন দেয়া হবে।
এছাড়াও ঢাকার পার্শ্ববর্তী গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জেও অধিক আ'ক্রান্ত এলাকাগুলোতে এলাকাভিত্তিক পদ্ধতিতে লকডাউন ঘোষণা করা হবে।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, করো'না সংক্রমণ ঠেকাতে এবার লকডাউনে সর্বোচ্চ কড়াকড়ি আরোপ করা হবে। লকডাউন করা ‘রেড জোন’ এর পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত কাউকে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বাইরে বের হতে দেয়া হবে না।
No comments:
Post a Comment