ডিজলাইকের রেকর্ড গর্তে যাচ্ছে নোবেলের তামাশা - Ever Fact

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Monday, June 8, 2020

ডিজলাইকের রেকর্ড গর্তে যাচ্ছে নোবেলের তামাশা


দুই বাংলার পরিচিত মুখ মাঈনুল আহসান নোবেল । সে কলকাতার রিয়েলিটি শোতে অংশ নিয়ে দুই বাংলার সবার মনে অনেক ভালবাসার জায়গা করে নেয় উটতি তরুণ মাঈনুল আহসান নোবেল। দুই বাংলার দর্শকরাই তার গায়কীতে মুগ্ধ। শুধু দর্শকদের মুগ্ধতাই নয়, নোবেল প্রশংসা পেয়েছেন খ্যাতনামা সঙ্গীতজ্ঞদের কাছ থেকেও। সে অনেক দিন ধরে সবার কাছে সমালোচনার পাত্র হিসেবে সামনে আসতেছেন। তবে নিজের করা অনেক মন্তব্যে অহংকার প্রকাশ পেয়েছে এই উঠতি সঙ্গীতশিল্পীর। যার কারণে নিজেদের পছন্দের তালিকা থেকে নাম কেটে দিচ্ছেন ভক্তরা। আলোচনায় থাকতে ভালোবাসেন তিনি। তার প্রথম মৌলিক গানের মিউজিক ভিডিও ‘তামাশা’র প্রচারণার অংশ হিসেবে একের পর এক নেতিবাচক কর্মকাণ্ডে সমালোচনার ঝড় তুলেছিলেন। বলা হচ্ছে ‘সারেগামাপা’খ্যাত গায়ক নোবেলের কথা। দেশের সংগীতাঙ্গনের লিজেন্ডদের নিয়ে তার সাম্প্রতিক মন্তব্য ভালোভাবে নেয়নি মানুষ। এরপর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে করেছেন ‘অগ্রহণযোগ্য’ মন্তব্য। যার প্রমাণ পাওয়া গেল বাংলাদেশে নোবেলের মুক্তি পাওয়া নোবেলের প্রথম মৌলিক গানে। আজ রবিবার নোবেলের প্রথম মৌলিক গান মুক্তি পেয়েছে। ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফরম ইউটিউবে প্রকাশিত এই গানের পাশে পছন্দের চেয়ে অপছন্দের চিহ্নই বেশি দেখাচ্ছেন ভক্তরা। নোবেলের বক্তব্য ছিল, এ সবই করেছেন নতুন গান ‘তামাশা’র প্রচারণার অংশ হিসেবে। কিন্তু যেই ‘তামাশা’র জন্য এত তামাশা সেটির সুফল কতটা ঘরে তুলতে পারলেন নোবেল? প্রায় ১ দিন হয়ে গেল গানটি প্রকাশ করেন নোবেল তার নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলে। সেখানে গানটিতে পছন্দের বাটন (লাইক) চাপেন ২৭ হাজার শ্রোতা এবং অপছন্দের (ডিজলাইক) দুই লাখ আট ত্রিশ হাজার শ্রোতা। ফলে অপছন্দ করছে কয়েকগুণ শ্রোতা। যেটা নোবেলের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের কারণেই বলে মনে করছেন ভক্তরা। অনেকেই বলছেন, এসবই নোবেলের নেতিবাচক প্রচারণার ফল। তাই মানুষ ‘ভিউ’ করছে ঠিকই কিন্তু ‘ডিসলাইক’ দিয়ে জানিয়ে আসছে নোবেলের এমন কাণ্ডর্কীতি তারা মোটেও পছন্দ করেনি। প্রকাশিত গানের মন্তব্য বাক্সেও নেতিবাচক মন্তব্যের ছড়াছড়ি। ফলে সহসাই নোবেল তার হৃত জনপ্রিয়তা ফিরে পাবেন কি না সন্দেহ রয়েছে।

No comments:

Post a Comment

Post Bottom Ad